সুচিত্রা সেন

ভারতীয় বাংলা চলচ্চিত্রাভিনেত্রী উইকিপিডিয়া থেকে, বিনামূল্যে একটি বিশ্বকোষ

সুচিত্রা সেন

সুচিত্রা সেন (৬ এপ্রিল ১৯৩১ – ১৭ জানুয়ারি ২০১৪) একজন ভারতীয় অভিনেত্রী ছিলেন।[] তার জন্মগত নাম ছিল রমা দাশগুপ্ত। তিনি মূলত বাংলা ও হিন্দি চলচ্চিত্রে অভিনয় করে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। বাংলা চলচ্চিত্রে উত্তম কুমারের বিপরীতে নায়িকার ভূমিকায় অভিনয় করে তিনি বিশেষ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন।

দ্রুত তথ্য রমা দাশগুপ্ত, জন্ম ...
রমা দাশগুপ্ত
Thumb
বিমল রায়ের দেবদাস (১৯৫৫) ছবিতে পারু চরিত্রে সুচিত্রা সেন
জন্ম
রমা দাশগুপ্ত

(১৯৩১-০৪-০৬)৬ এপ্রিল ১৯৩১
মৃত্যু১৭ জানুয়ারি ২০১৪(2014-01-17) (বয়স ৮২)[]
জাতীয়তাভারতীয়
কর্মজীবন১৯৫৩–১৯৭৯
উল্লেখযোগ্য কর্ম
সাত পাকে বাঁধা
সপ্তপদী
শাপ মোচন
হারানো সুর
দ্বীপ জ্বেলে যাই
দাম্পত্য সঙ্গীদিবানাথ সেন
সন্তানমুনমুন সেন
পুরস্কারপদ্মশ্রী, বঙ্গবিভূষণ
স্বাক্ষর
Thumb
বন্ধ

১৯৬৩ সালে সাত পাকে বাঁধা চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য মস্কো চলচ্চিত্র উৎসবে সুচিত্রা সেন "সেরা অভিনেত্রীর জন্য রোপ্য পুরস্কার" জয় করেন। তিনিই প্রথম ভারতীয় অভিনেত্রী যিনি কোনো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কৃত হয়েছিলেন।[] ১৯৭২ সালে ভারত সরকার তাকে পদ্মশ্রী সম্মান প্রদান করে।[] শোনা যায়, ২০০৫ সালে তাকে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছিল; কিন্তু সুচিত্রা সেন জনসমক্ষে আসতে চান না বলে এই পুরস্কার গ্রহণ করেননি।[] ২০১২ সালে তাকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সর্বোচ্চ সম্মাননা বঙ্গবিভূষণ প্রদান করা হয়।[]

ব্যক্তিগত জীবন ও শিক্ষা

১৯৩১ সালের ৬ এপ্রিল ব্রিটিশ ভারতের বাংলা প্রেসিডেন্সির (অধুনা বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অন্তর্গত সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি থানার অন্তর্গত সেন ভাঙ্গাবাড়ী) গ্রাম সুচিত্রা সেনের পৈত্রিক নিবাস। পাবনা জেলার সদর পাবনায় সুচিত্রা সেন জন্মগ্রহণ করেছিলেন।[][] তার বাবা করুণাময় দাশগুপ্ত ছিলেন পাবনা পৌরসভার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও মা ইন্দিরা দেবী ছিলেন গৃহবধূ। তিনি ছিলেন পরিবারের পঞ্চম সন্তান ও তৃতীয় কন্যা। পাবনা শহরেই তিনি পড়াশোনা করেছিলেন। তিনি ছিলেন কবি রজনীকান্ত সেনের নাতনী।[]

১৯৪৭ সালে বিশিষ্ট শিল্পপতি আদিনাথ সেনের পুত্র দিবানাথ সেনের সঙ্গে সুচিত্রা সেনের বিয়ে হয়।[১০] তাঁদের একমাত্র কন্যা মুনমুন সেনও একজন খ্যাতনামা অভিনেত্রী। ১৯৫২ সালে সুচিত্রা সেন বাংলা চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে যুক্ত হন।[১১]

Thumb
বাংলাদেশের পাবনার স্মৃতি সংগ্রহশালা

চলচ্চিত্র জীবন

সারাংশ
প্রসঙ্গ

১৯৫২ সালে শেষ কোথায় ছবির মাধ্যমে তার চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু হয় কিন্তু ছবিটি মুক্তি পায়নি।[১২]

সম্মাননা

সুচিত্রা সেনই বাংলা চলচ্চিত্রের প্রথম অভিনেত্রী, যিনি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব থেকে পুরস্কৃত হয়েছিলেন। ‘সাত পাকে বাঁধা’ ছবিতে অনবদ্য অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৬৩ সালে মস্কো চলচ্চিত্র উৎসব থেকে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পান তিনি।[১২] ১৯৫৫ সালের দেবদাস ছবির জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার জেতেন, যা ছিল তার প্রথম হিন্দি ছবি। উত্তম কুমারের সাথে বাংলা ছবিতে রোমান্টিকতা সৃষ্টি করার জন্য তিনি বাংলা চলচ্চিত্রের সবচেয়ে বিখ্যাত অভিনেত্রী। ১৯৬০ ও ১৯৭০ দশকে তার অভিনীত ছবি মুক্তি পেয়েছে। স্বামী মারা যাওয়ার পরও তিনি অভিনয় চালিয়ে গেছেন, যেমন হিন্দি ছবি আন্ধি। এই চলচ্চিত্রে তিনি একজন নেত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। বলা হয় যে চরিত্রটির প্রেরণা এসেছে ইন্দিরা গান্ধী থেকে। এই ছবির জন্য তিনি ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছিলেন এবং তার স্বামী চরিত্রে অভিনয় করা সঞ্জীব কুমার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার জিতেছিলেন। হিন্দি চলচ্চিত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রতিবছর দাদাসাহেব সম্মাননা প্রদান করে ভারত সরকার। চলচ্চিত্রের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এ সম্মাননা নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন সুচিত্রা সেন। ২০০৫ সালে দাদাসাহেব সম্মাননা প্রত্যাখ্যান করেছিলেন তিনি। সম্মাননা নিতে কলকাতা থেকে দিল্লি যেতে চাননি বলেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি।[১৩]

অন্তরীণ জীবন

Thumb
২০১৪ সালের কলকাতা বইমেলায় সেনের প্রতি স্মৃতিটুকু থাক শ্রদ্ধাঞ্জলি। ২৯ জানুয়ারী ২০১৪।

১৯৭৮ সালে সুদীর্ঘ ২৫ বছর অভিনয়ের পর তিনি চলচ্চিত্র থেকে অবসর গ্রহণ করেন। এর পর তিনি লোকচক্ষু থেকে আত্মগোপন করেন এবং রামকৃষ্ণ মিশনের সেবায় ব্রতী হন। ২০০৫ সালে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারের জন্য সুচিত্রা সেন মনোনীত হন, কিন্তু ভারতের প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে সশরীরে পুরস্কার নিতে দিল্লী যাওয়ায় আপত্তি জানানোর কারণে তাঁকে পুরস্কার দেওয়া হয়নি।

মৃত্যু

Thumb
কলকাতার রবীন্দ্র সদনে সুচিত্রা সেনের স্মৃতি।১৯ জানুয়ারী ২০১৪।

২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি ভারতীয় সময় সকাল ৮টা ২৫ মিনিট নাগাদ কলকাতার বেল ভিউ হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ৮২ বছর বয়সে সুচিত্রা সেনের মৃত্যু হয়।[১৪][১৫] তিন সপ্তাহ আগে ফুসফুসে সংক্রমণের জন্য তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।[১৬] পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার শেষকৃত্যে গান স্যালুট দেবার কথা ঘোষণা করেন।[১৬] ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়, প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহভারতীয় জনতা পার্টির প্রধানমন্ত্রী-পদপ্রার্থী নরেন্দ্র মোদী সুচিত্রা সেনের মৃত্যুতে শোকবার্তা পাঠান।[১৭]

পরিবার

তার মেয়ে মুনমুন সেন এবং নাতনী রিয়া সেনরাইমা সেন ও চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন।

চলচ্চিত্রের তালিকা

আরও তথ্য সাল, চলচ্চিত্র ...
সাল চলচ্চিত্র মুক্তির তারিখ নামভূমিকা পরিচালক নায়ক মন্তব্য
১৯৫২শেষ কোথায়অমুক্তিপ্রাপ্তছবিটি মুক্তি পায়নি
১৯৫৩সাত নম্বর কয়েদী৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৩অরুণাসুকুমার দাশগুপ্তসমর রায়মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম ছবি
১৯৫৩সাড়ে চুয়াত্তর২০ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৩রমলানির্মল দেউত্তম কুমার
১৯৫৩ভগবান শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য১১ ডিসেম্বর ১৯৫৩বিষ্ণুপ্রিয়াদেবকী বসুবসন্ত চৌধুরী
১৯৫৩কাজরী১০ এপ্রিল ১৯৫৩নীরেন লাহিড়ীনায়ক নেই
১৯৫৪অ্যাটম বম্ব১ জানুয়ারি ১৯৫৪তারু মুখোপাধ্যায়রবীন মজুমদারএক্সট্রা হিসেবে আত্মপ্রকাশ। ছবির প্রধান নায়িকা সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়
১৯৫৪ওরা থাকে ওধারে৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৪প্রমীলাসুকুমার দাশগুপ্তউত্তম কুমার
১৯৫৪ঢুলি৩ জুন ১৯৫৪মিনতিপিনাকী মুখোপাধ্যায়প্রশান্ত কুমার
১৯৫৪মরণের পরে২৫ জুন ১৯৫৪তনিমাসতীশ দাশগুপ্তউত্তম কুমার
১৯৫৪সদানন্দের মেলা১৬ জুলাই ১৯৫৪শীলাসুকুমার দাশগুপ্তউত্তম কুমার
১৯৫৪অন্নপূর্ণার মন্দির৬ আগস্ট ১৯৫৪সতীনরেশ মিত্রউত্তম কুমার
১৯৫৪অগ্নিপরীক্ষা৩ সেপ্টেম্বর ১৯৫৪তাপসীঅগ্রদূতউত্তম কুমার
১৯৫৪গৃহপ্রবেশ১২ নভেম্বর ১৯৫৪অজয় করউত্তম কুমার
১৯৫৪বলয়গ্রাস১৭ ডিসেম্বর ১৯৫৪মণিমালাপিনাকী মুখোপাধ্যায়
১৯৫৫সাঁঝের প্রদীপ২৮ জানুয়ারি ১৯৫৫রাজুসুধাংশু মুখোপাধ্যায়উত্তম কুমার
১৯৫৫দেবদাস১ জানুয়ারি ১৯৫৫পার্বতী (পারু)বিমল রায়দিলীপ কুমারশরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস "দেবদাস" অবলম্বনে নির্মিত প্রথম হিন্দি ছবি
১৯৫৫সাজঘর১১ মার্চ ১৯৫৫অজয় করবিকাশ রায়
১৯৫৫শাপমোচন২৭ মে ১৯৫৫মাধুরীসুধীর মুখোপাধ্যায়উত্তম কুমার
১৯৫৫মেজ বৌ৩০ সেপ্টেম্বর ১৯৫৫দেবনারায়ণ গুপ্তবিকাশ রায়
১৯৫৫ভালোবাসা৬ অক্টোবর ১৯৫৫দেবকী বসুবসন্ত চৌধুরী
১৯৫৫সবার উপরে১ ডিসেম্বর ১৯৫৫রিতাঅগ্রদূতউত্তম কুমার
১৯৫৬সাগরিকা১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৬সাগরিকাঅগ্রগামীউত্তম কুমার
১৯৫৬শুভরাত্রি৩০ মার্চ ১৯৫৬শান্তিসুশীল মজুমদারবসন্ত চৌধুরী
১৯৫৬একটি রাত১১ মে ১৯৫৬সান্ত্বনাচিত্ত বসুউত্তম কুমার
১৯৫৬ত্রিযামা২৮ জুন ১৯৫৬স্বরুপাঅগ্রদূতউত্তম কুমার
১৯৫৬শিল্পী৩০ নভেম্বর ১৯৫৬অঞ্জনাঅগ্রগামীউত্তম কুমার
১৯৫৬আমার বৌ১৪ ডিসেম্বর ১৯৫৬খগেন রায়বিকাশ রায়
১৯৫৭হারানো সুর৬ সেপ্টেম্বর ১৯৫৭ডঃ রমা ব্যানার্জিঅজয় করউত্তম কুমার
১৯৫৭চন্দ্রনাথ১৫ নভেম্বর ১৯৫৭সরযূকার্তিক চট্টোপাধ্যায়উত্তম কুমারশরৎচন্দ্রের বিখ্যাত উপন্যাস "চন্দ্রনাথ" অবলম্বনে
১৯৫৭পথে হল দেরী৫ ডিসেম্বর ১৯৫৭মল্লিকা ব্যানার্জিঅগ্রদূতউত্তম কুমার
১৯৫৭জীবন তৃষ্ণা২৫ ডিসেম্বর ১৯৫৭শকুন্তলাঅসিত সেনউত্তম কুমার
১৯৫৭মুসাফিরশকুন্তলা বর্মাহৃষীকেশ মুখোপাধ্যায়শেখরহিন্দি ছবি
১৯৫৭চম্পাকলিচম্পাকলিনন্দলাল জসবন্তলালভারত ভূষণহিন্দি ছবি
১৯৫৮রাজলক্ষ্মী ও শ্রীকান্ত২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৮রাজলক্ষ্মীহরিদাস ভট্টাচার্যউত্তম কুমারশরৎচন্দ্রের বিখ্যাত উপন্যাস "রাজলক্ষ্মী ও শ্রীকান্ত" অবলম্বনে
১৯৫৮সূর্যতোরণ২১ নভেম্বর ১৯৫৮অনিতা চ্যাটার্জিঅগ্রদূতউত্তম কুমার
১৯৫৮ইন্দ্রাণী১০ অক্টোবর ১৯৫৮ইন্দ্রাণীনীরেন লাহিড়ীউত্তম কুমার
১৯৫৯দীপ জ্বেলে যাই১ মে ১৯৫৯রাধা মিত্রঅসিত সেনবসন্ত চৌধুরী
১৯৫৯চাওয়া পাওয়া২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৯মঞ্জুযাত্রিকউত্তম কুমার
১৯৬০হসপিটাল১৬ সেপ্টেম্বর ১৯৬০শর্বরীসুশীল মজুমদারঅশোক কুমার
১৯৬০স্মৃতিটুকু থাক২৩ সেপ্টেম্বর ১৯৬০শোভা/উৎপলাযাত্রিকঅসিতবরণ মুখোপাধ্যায় / বিকাশ রায়প্রথম বার দ্বৈত চরিত্রে অভিনয়
১৯৬০বোম্বাই কা বাবুমায়ারাজ খোসলাদেব আনন্দহিন্দি ছবি
১৯৬০সরহদশঙ্কর মুখার্জিদেব আনন্দহিন্দি ছবি
১৯৬১সপ্তপদী২০ অক্টোবর ১৯৬১রিনা ব্রাউনঅজয় করউত্তম কুমার
১৯৬২বিপাশা২৬ জানুয়ারি ১৯৬২বিপাশাঅগ্রদূতউত্তম কুমার
১৯৬৩সাত পাকে বাঁধা২২ মার্চ ১৯৬৩অর্চনাঅজয় করসৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়
১৯৬৩উত্তর ফাল্গুনী১১ অক্টোবর ১৯৬৩দেবযানী / পান্নাবাঈ / সুপর্ণাঅসিত সেনদিলীপ মুখোপাধ্যায় / বিকাশ রায়দ্বৈত চরিত্র
১৯৬৪সন্ধ্যাদীপের শিখা২ অক্টোবর ১৯৬৪জয়ন্তী ব্যানার্জিহরিদাস ভট্টাচার্যদিলীপ মুখোপাধ্যায় / বিকাশ রায়
১৯৬৬মমতাদেবযানী / পান্নাবাঈ / সুপর্ণাঅসিত সেনধর্মেন্দ্র / অশোক কুমারবাংলা চলচ্চিত্র "উত্তর ফাল্গুনী" এর হিন্দি সংস্করণ
১৯৬৭গৃহদাহ৫ মে ১৯৬৭অচলাসুবোধ মিত্রউত্তম কুমারশরৎচন্দ্রের বিখ্যাত উপন্যাস "গৃহদাহ" অবলম্বনে
১৯৬৯কমললতা২ অক্টোবর ১৯৬৯কমললতাহরিসাধন দাশগুপ্তউত্তম কুমারশরৎচন্দ্রের বিখ্যাত উপন্যাস "কমললতা" অবলম্বনে
১৯৭০মেঘ কালো৪ সেপ্টেম্বর ১৯৭০ডঃ নির্মাল্য রায়সুশীল মুখোপাধ্যায়বসন্ত চৌধুরী
১৯৭১নবরাগ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭১নারায়ণী / রিনাবিজয় বসুউত্তম কুমার
১৯৭১ফরিয়াদ৫ নভেম্বর ১৯৭১চাঁপা / রতনমালাবিজয় বসুউৎপল দত্ত
১৯৭২আলো আমার আলো১৭ মার্চ ১৯৭২অতসীপিনাকী মুখোপাধ্যায়উত্তম কুমার
১৯৭২হার মানা হার১৯ ডিসেম্বর ১৯৭২নীরা (নীরজা)সলিল সেনউত্তম কুমার
১৯৭৪দেবী চৌধুরানী৬ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪প্রফুল্লমুখীদীনেন গুপ্তরঞ্জিত মল্লিক
১৯৭৪শ্রাবণ সন্ধ্যা২৫ জানুয়ারি ১৯৭৪বীরেশ্বর বসুসমিত ভঞ্জ
১৯৭৫প্রিয় বান্ধবী৩ অক্টোবর ১৯৭৫শ্রীমতীহীরেন নাগউত্তম কুমার
১৯৭৫আঁধি১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৫আরতি দেবীগুলজারসঞ্জীব কুমারহিন্দি ছবি
১৯৭৬দত্তা৩০ জুলাই ১৯৭৬বিজয়াঅজয় করসৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়শরৎচন্দ্রের বিখ্যাত উপন্যাস "দত্তা" অবলম্বনে
১৯৭৮প্রণয় পাশা৯ জুন ১৯৭৮তাপসী মৈত্রমঙ্গল চক্রবর্তীসৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়
বন্ধ

পুরস্কার ও সম্মাননা

আরও তথ্য বছর, পুরস্কার/সম্মাননা ...
বছরপুরস্কার/সম্মাননাফলাফলচলচ্চিত্র
১৯৬৩৩য় মস্কো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব - শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীজয়ীসাত পাকে বাঁধা
১৯৬৬ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পুরস্কারমনোনীতমমতা
১৯৭২পদ্মশ্রীচলচ্চিত্র শিল্পে বিশেষ অবদানের জন্য[]
১৯৭৬ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পুরস্কারমনোনীতআঁধি
২০১২বঙ্গবিভূষণচলচ্চিত্রে সারা জীবনের অবদানের জন্য
বন্ধ

তথ্যসূত্র

বহিঃসংযোগ

Wikiwand - on

Seamless Wikipedia browsing. On steroids.