নোনা নদী
বাংলাদেশের নদী উইকিপিডিয়া থেকে, বিনামূল্যে একটি বিশ্বকোষ
নোনা নদী বা লোনা নদী বা নুনা নদী বাংলাদেশ ও ভারতের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। নদীটি বাংলাদেশের ঠাকুরগাঁও জেলার রানীশংকৈল ও হরিপুর উপজেলার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ৩০ কিলোমিটার, প্রস্থ ১৪৭ মিটার এবং গভীরতা ১.৫ মিটার। নদী অববাহিকার আয়তন ৬০ বর্গকিলোমিটার। এই নদীটিতে জোয়ারভাটার প্রভাব নেই।[১][২] বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা "পাউবো" কর্তৃক লোনা নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ১০৫।[২]
নোনা নদী | |
লোনা নদী, নুনা নদী | |
ধীরগঞ্জে নোনা নদী | |
দেশসমূহ | বাংলাদেশ, ভারত |
---|---|
রাজ্য | পশ্চিমবঙ্গ |
অঞ্চল | রংপুর বিভাগ |
জেলাসমূহ | ঠাকুরগাঁও জেলা,, উত্তর দিনাজপুর জেলা |
উৎস | ধর্মগড় ইউনিয়নের বিলাঞ্চল, |
মোহনা | নাগর নদী |
দৈর্ঘ্য | ৩০ কিলোমিটার (১৯ মাইল) |

প্রবাহপথ
নদীটি ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার অন্তর্গত ধর্মগড় ইউনিয়নের বিলাঞ্চল থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। সূচনাতেই এটি দুটি ধারায় বিভক্ত হয়ে হরিপুর উপজেলার আমগাও ইউনিয়ন অবধি প্রবাহিত হয়ে এক ধারায় লীন হয়েছে। অতঃপর একই উপজেলা দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে নাগর নদীতে পতিত হয়েছে। প্রবাহপথে এটি বালিয়াডাঙ্গী, রানীশংকাইল ও হরিপুর উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। মৌসুমি প্রকৃতির এই নদী বর্ষাকালে পানিতে সয়লাব হয়ে যায়, সেসময় নদীর সঙ্গে বিলের পার্থক্য নির্ণয় করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। কোনো কোনো স্থানে নদীর গতিপথ চিহ্নিত করা সম্ভব হয় না। কিন্তু শুকনো মৌসুমে নদীতে পানির কোনো অস্তিত্ব থাকে না।[১][২]
পরিবেশগত সমস্যা
গ্রীষ্মকালে এই নদীর শুকিয়ে যায় এবং সেখানে চাষাবাদ করা হয়। বর্তমানে পলির প্রভাবে এই নদীর তলদেশ ক্রমশ ভরাট হয়ে যাচ্ছে, সেই সাথে কমে যাচ্ছে প্রবহমানতা।[২]
আরও দেখুন
তথ্যসূত্র
Wikiwand - on
Seamless Wikipedia browsing. On steroids.