সরফরোশ
হিন্দি ভাষার চলচ্চিত্র উইকিপিডিয়া থেকে, বিনামূল্যে একটি বিশ্বকোষ
সরফরোশ (হিন্দি: सरफ़रोश, অনুবাদ 'মনের উত্তাপ') হচ্ছে ১৯৯৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি হিন্দি চলচ্চিত্র। চলচ্চিত্রটিতে নায়ক-নায়িকা ছিলেন আমির খান এবং সোনালী বেন্দ্রে, এছাড়াও চলচ্চিত্রটিতে নাসিরুদ্দীন শাহ, মুকেশ ঋষিদের মত গুণী অভিনেতা ছিলেন। চলচ্চিত্রটির পরিচালক, প্রযোজক এবং কাহিনী লেখক ছিলেন জন ম্যাথিউ মাথান, তিনি ১৯৯২ সালে চলচ্চিত্রটি বানানোর কাজে হাত দিলেও নানা সমস্যার কারণে চলচ্চিত্রটি আলোর মুখ শুরুতে দেখতে পারেনি। চলচ্চিত্রটির কাহিনীতে ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের সীমান্তে চলা আন্তঃসীমান্ত সমস্যা এবং সন্ত্রাসবাদ দেখানো হয়, অভিনেতা আমির খান একজন পুলিশ কর্মকর্তা চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন।[২]
সরফরোশ | |
---|---|
![]() | |
পরিচালক | জন ম্যাথিউ মাথান |
প্রযোজক | জন ম্যাথিউ মাথান |
চিত্রনাট্যকার | জন ম্যাথিউ মাথান হৃদয় লনি পথিক বৎস |
কাহিনিকার | জন ম্যাথিউ মাথান |
শ্রেষ্ঠাংশে | আমির খান সোনালী বেন্দ্রে |
বর্ণনাকারী | নাসিরুদ্দীন শাহ সোনালী বেন্দ্রে |
সুরকার | গান: যতীন-ললিত আবহ সঙ্গীত: সঞ্জয় চৌধুরী |
চিত্রগ্রাহক | বিকাশ শিবরাম |
সম্পাদক | জেঠু মণ্ডল |
প্রযোজনা কোম্পানি | সিনেম্যাট পিকচার্স |
পরিবেশক | ইরোস এন্টারটেইনমেন্ট |
মুক্তি |
|
স্থিতিকাল | ২ ঘণ্টা ৪৩ মিনিট |
দেশ | ভারত |
ভাষা | হিন্দি |
নির্মাণব্যয় | ₹ ৮ কোটি (ইউএস$ ০.৯৮ মিলিয়ন)[১] |
আয় | ₹ ৩৩.৪৬ কোটি (ইউএস$ ৪.০৯ মিলিয়ন)[১] |
যখন চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় তখন ভারতের সঙ্গে বাস্তব ক্ষেত্রে পাকিস্তানের কার্গিল যুদ্ধ শুরু হয়ে গিয়েছিলো; চলচ্চিত্রটি যুদ্ধের ভেতরেও দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছিলো এবং ভারতীয়দের মধ্যে জাতিগত সত্ত্বা বজায় রেখেছিলো। চলচ্চিত্রটি বাণিজ্যিক ঘরানার হলেও দর্শকরা আমির খানের অভিনয় পছন্দ করেছিলো।[৩] চলচ্চিত্রটি শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র বিভাগে ফিল্মফেয়ার সমালোচক পুরস্কার পেয়েছিলো। যদিও চলচ্চিত্রটি মুক্তির বহু বছর পর আমির খান বলেছিলেন, তার নিজের অভিনীত এই সরফরোশ চলচ্চিত্রটি ভালো হয়নি, না এই চলচ্চিত্রের কাহিনী তার কাছে ভালো লেগেছিলো, না গানগুলো শ্রুতিমধুর ছিলো।[৪]
অভিনয়ে
- আমির খান - এ.সি.পি. অজয় সিং রাথোড়
- নাসিরুদ্দীন শাহ - গুলফাম হাসান
- সোনালী বেন্দ্রে - সীমা
- মুকেশ ঋষি - পুলিশ পরিদর্শক সলিম
- নওয়াজুদ্দীন সিদ্দিকী - ক্যামিও
সঙ্গীত
চলচ্চিত্রটির সঙ্গীত পরিচালক ছিলেন যতীন-ললিত; গানগুলো ছিলো ভারতীয় সংস্কৃতিবাদী, প্রণয়ধর্মী, আবেগপ্রধান এবং বেদনাপ্রদায়ক।
সকল গানের গীতিকার ইন্দিভার, ইসরার আনসারি, নিদা ফজলি, সমীর; সকল গানের সুরকার যতীন-ললিত।
নং. | শিরোনাম | গীতিকার | কণ্ঠশিল্পী(গণ) | দৈর্ঘ্য |
---|---|---|---|---|
১. | "জিন্দগি মউত না বন জয়ে" | ইসরার আনসারি | রূপ কুমার রাঠোড়, সোনু নিগম | ০৬ঃ১৮ |
২. | "হোশওয়ালো কো খবর ক্যায়া" | নিদা ফজলি | জগজিৎ সিং | ০৫ঃ০২ |
৩. | "ইস দিওয়ানে লাড়কে কো" | সমীর (গীতিকার) | অল্কা ইয়াগনিক, আমির খান | ০৪ঃ৪০ |
৪. | "ইয়ে জওয়ানি হদ কর দে" | সমীর (গীতিকার) | কবিতা কৃষ্ণমূর্তি | ০৪ঃ৪৪ |
৫. | "জো হল দিল কা" | সমীর (গীতিকার) | কুমার শানু, অল্কা ইয়াগনিক | ০৫ঃ২৬ |
৬. | "মেরি রাতো কি নিন্দে উড়া দে" | ইন্দিভার | অল্কা ইয়াগনিক | ০৪ঃ৩৭ |
পুরস্কারসমূহ
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
Wikiwand - on
Seamless Wikipedia browsing. On steroids.