ইউরোপা (প্রাকৃতিক উপগ্রহ)
উইকিপিডিয়া থেকে, বিনামূল্যে একটি বিশ্বকোষ
ইউরোপা (/jʊəˈroʊpə/ ( ) yoor-OH-pə,[১৩] Jupiter II) বৃহস্পতি গ্রহের চারদিকে পরিক্রমণকারী চারটি গ্যালিলীয় উপগ্রহগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ছোট উপগ্রহ। এ পর্যন্ত জানা বৃহস্পতির ৮০ টি উপগ্রহের মধ্যে বৃহস্পতি থেকে দূরত্বের দিক থেকে এটি ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে। এটি সৌরজগৎের ষষ্ঠ বৃহত্তম উপগ্রহ। গ্যালিলিও গ্যালিলেই ১৬১০ সালে এই উপগ্রহটি আবিষ্কার করেন।[১] গ্রীক পুরাণের ইউরোপার নাম অনুসারে এই উপগ্রহটির নামকরণ করা হয়।
![]() ইউরোপার ছবি (গ্যালিলি মহাকাশযান থেকে) | |||||||||
আবিষ্কার | |||||||||
---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
আবিষ্কারক | গ্যালিলি | ||||||||
আবিষ্কারের তারিখ | ৮ জানুয়ারি ১৬১০[১] | ||||||||
বিবরণ | |||||||||
উচ্চারণ | /jʊˈroʊpə/[২] | ||||||||
নামকরণের উৎস | Ευρώπη Eyrōpē | ||||||||
বিকল্প নামসমূহ | Jupiter II | ||||||||
বিশেষণ | Europan /jʊˈroʊpən/[৩][৪] | ||||||||
কক্ষপথের বৈশিষ্ট্য[৫] | |||||||||
যুগ 8 January 2004 | |||||||||
অনুসূর | ৬৬৪৮৬২ কিমি[ক] | ||||||||
অপসূর | ৬৭৬৯৩৮ কিমি[খ] | ||||||||
কক্ষপথের গড় ব্যাসার্ধ | ৬৭০৯০০ কিমি[৬] | ||||||||
উৎকেন্দ্রিকতা | 0.009[৬] | ||||||||
কক্ষীয় পর্যায়কাল | ৩.৫৫১১৮১ d[৬] | ||||||||
গড় কক্ষীয় দ্রুতি | ১৩৭৪৩.৩৬ m/s[৭] | ||||||||
নতি | 0.470° (to Jupiter's equator) 1.791° (to the ecliptic)[৬] | ||||||||
যার উপগ্রহ | Jupiter | ||||||||
ভৌত বৈশিষ্ট্যসমূহ | |||||||||
গড় ব্যাসার্ধ | ১৫৬০.৮±০.৫ কিমি (0.245 Earths)[৮] | ||||||||
পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল | ৩.০৯×১০৭ km2 (0.061 Earths)[গ] | ||||||||
আয়তন | ১.৫৯৩×১০১০ km3 (0.015 Earths)[ঘ] | ||||||||
ভর | (৪.৭৯৯৮৪৪±০.০০০০১৩)×১০২২ কিg (0.008 Earths)[৮] | ||||||||
গড় ঘনত্ব | ৩.০১৩±০.০০৫ g/cm3 (0.546 Earths)[৮] | ||||||||
বিষুবীয় পৃষ্ঠের অভিকর্ষ | ১.৩১৪ m/s2 (0.134 g)[ঙ] | ||||||||
মুক্তি বেগ | ২.০২৫ km/s[চ] | ||||||||
ঘূর্ণনকাল | Synchronous[৯] | ||||||||
অক্ষীয় ঢাল | 0.1°[১০] | ||||||||
প্রতিফলন অনুপাত | 0.67 ± 0.03[৮] | ||||||||
| |||||||||
আপাত মান | 5.29 (opposition)[৮] | ||||||||
বায়ুমণ্ডল | |||||||||
পৃষ্ঠের চাপ | 0.1 µPa (10−12 bar)[১২] | ||||||||
চাঁদের তুলনায় সামান্য ছোট ইউরোপা প্রধানত সিলিকেট শিলা দ্বারা তৈরি। এর বরফের আবরণ[১৪] এবং সম্ভবত লোহা–নিকেলের কেন্দ্র রয়েছে। এর হালকা বায়ুমন্ডল রয়েছে যা মুলত অক্সিজেন দ্বারা গঠিত। এর উপরিতল ফাটল দ্বারা রেখাঙ্কিত, তবে গর্ত অপেক্ষাকৃত কম। পৃথিবীতে থাকা টেলিস্কোপ ছাড়াও মহাকাশযান দ্বারা উপগ্রহটিকে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে, যা শুরু হয়েছিল ১৯৭০ এর দশকের প্রথমদিকে।
সৌর জগতের কঠিন গ্রহ-উপগ্রহের মধ্যে ইউরোপার পৃষ্ঠ সবচেয়ে মসৃণ। বহিঃতলের আপাত নবীনতা ও মসৃণতা একটি ধারণার জন্ম দিয়েছে যে, এটির নিচে পানির একটি মহাসাগরের অস্তিত্ব থাকতে পারে, যা হয়তো বহিঃজাগতিক প্রাণের আশ্রয় হতে পারে।[১৫]
১৯৮৯ তে উৎক্ষেপিত গ্যালিলিও নভোযান ইউরোপা সম্পর্কে বর্তমান উপাত্তের বড় অংশ সরবারহ করেছে। কোনো নভোযান এখনো ইউরোপায় অবতরণ করে নি। বর্তমানে ইউরোপায় কিছু প্রস্তাবিত অভিযান রয়েছে। জুপিটার আইসি মুনস এক্সপ্লোরার (JUICE) হল গ্যানিমেড উপগ্রহে ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার একটি অভিযান। এটি ২০২২ সালে উৎক্ষেপিত হওয়ার এবং মহাকাশযানটি দুবার ইউরোপার কাছ দিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।[১৬] এছাড়া নাসার পরিকল্পিত ইউরোপা ক্লিপার ২০২৫ সালে উৎক্ষেপিত হতে পারে।[১৭]
তথ্যসূত্র
টীকা
Wikiwand - on
Seamless Wikipedia browsing. On steroids.